1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. বিনোদন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. সারাদেশ
  8. ক্যাম্পাস
  9. গণমাধ্যম
  10. ভিডিও গ্যালারী
  11. ফটোগ্যালারী
  12. আমাদের পরিবার
ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ , ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাড়াটিয়াকে গণধর্ষণ ও লুটপাট: গ্রেফতার যুবদল নেতা, আসামী অংগসংগঠনের নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ০৬-০৬-২০২৬ ০৫:০৭:০২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৬-০৬-২০২৬ ০৫:০৭:০২ অপরাহ্ন
ভাড়াটিয়াকে গণধর্ষণ ও লুটপাট: গ্রেফতার যুবদল নেতা, আসামী অংগসংগঠনের নেতারা ছবি: দৈনিক সোনালী রাজশাহী
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এক ভাড়াটিয়া নারীকে অনৈতিক কাজের আপত্তিকর অপবাদ দিয়ে বাড়ি ভাঙচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট এবং পরবর্তীতে দুই দফায় গণধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) রাতে উপজেলার ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া ও উজালপুর এলাকায় পৃথক স্থানে এই বর্বর ঘটনা ঘটে।
 
​এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে পুঠিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি যুবদল নেতা মুরাদসহ (৩৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
 
​বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম। 
 
আসামীরা হলেন, জিউপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল (৪০), গ্রেফতার হওয়া যুবদল নেতা ​মুরাদ (৩৮), পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য বুলবুল (২৮), জিউপাড়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ​ফিরোজ (৩৫) ও শ্রমিকদল নেতা ​সুমন (৩২)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী গত ১ জুন ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকায় জনৈক সোহেলের বাড়িটি ভাড়া নেন এবং ৪ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে সেই বাড়িতে ওঠেন। ওই দিন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আকাশ (১৬) নামের এক কিশোরকে ওই নারীর বাড়ির সামনে দেখে আসামিরা তাদের জড়িয়ে অনৈতিক কাজের মিথ্যা অপবাদ দিতে শুরু করে।
 
​একপর্যায়ে আসামিরা বাড়ির গেট ও জানালা ভেঙে ভেতরে অনধিকার প্রবেশ করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। ঘরে ঢুকে  বুলবুল চালের ড্রামে থাকা পার্স থেকে নগদ ২৫,০০০ টাকা ও ২২,০০০ টাকা মূল্যের রুপার (চাঁদির) নুপুর এবং  সুমন ৪০,০০০ টাকা মূল্যের একটি অপো (OPPO) মোবাইল ফোন লুট করে নেয়।
 
​লুটপাটের পর  সাইফুল ঘরের দরজা বন্ধ করে ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক প্রথম দফায় ধর্ষণ করে।
​এরপর  ফিরোজ তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে উজালপুর গ্রামের একটি নির্জন মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে ফিরোজ ফোন করে  মুরাদকে ডেকে আনে। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মুরাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে মাঠের মধ্যে পুনরায় (দ্বিতীয় দফায়) ধর্ষণ করে।
 
​ধর্ষণের পর আসামি ফিরোজ ভুক্তভোগীকে মোটরসাইকেলে করে বাঁশবাড়ী বাজারে পৌঁছে দিলে তিনি সেখান থেকে ভ্যানযোগে নাটোরের নলডাঙ্গায় তার গ্রামের বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের সাথে পরামর্শ করে তিনি পুঠিয়া থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন।
 
​এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে একজনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে৷ বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Daily Sonali Rajshahi

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ